,

আদালতে ১৬৪ ধারায় কলেজ ছাত্র সাইফুলকে হত্যার স্বীকৃতি ঘাতকের

জকিগঞ্জ ১৮.১০.২০১৭ ::
শনিবার সকালে নিখোঁজ হওয়া জকিগঞ্জের ইছামতি ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ব্যবসায় শাখার মেধাবী ছাত্র সাইফুল আলমের অর্ধগলিত লাশ বাড়ির পাশের খাল থেকে সোমবার উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সাইফুল আলম ছালেহপুর গ্রামের আব্দুল খালিকের পুত্র। ময়না তদন্তের পর স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে জানাযা শেষে মঙ্গলবার লাশ দাফন করা হয়। নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করা হয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। পুলিশ তৎপর হয় খুনি সনাক্ত করতে। জানাযার নামাজ শেষে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাইফুলের চাচাত ভাই এনাম উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ডরি থেকে মাছ তুলে নেয়ার অপরাধে হত্যা করার কথা স্বীকার করে। গতকাল রাতে নিহতের বাবা আব্দুল খালিক বাদী হয়ে এনামকে একমাত্র মামলা দায়ের করেছেন। থানার মামলা নং ১০। তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই সৈয়দ ইমরোজ তারেক বলেন, ১৬৪ধারায় জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ঘাতক এনাম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক খাইরুল আমিন জবাবন্দি রেকর্ড করছেন। এনাম জানায় শনিবার সকাল ৬টার দিকে বাড়ির পাশের একটি নালায় ডরি বসানো ছিল। সেই ডরি থেকে মাছ তুলে নেয় সাইফুল আলম। প্রচন্ড রাগ উঠলে এনাম তাকে ঝাপটে ধরে পেটাতে শুরু করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সাইফুল নালায় পড়ে যায়। সাইফুল আলমের মাথা কাদামাটির নীচে চেপে ধরে গলায় ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে কাদামাটি দিয়ে ঢেকে দেয় সাইফুল আলমের লাশ।

     এ জাতীয় আরো খবর