,

এবারো সিলেট জেলার সর্বোচ্চ ৯১টি পূজা মন্ডপ জকিগঞ্জে

স্টাফ রাইটার::
সারা দেশের ন্যায় জকিগঞ্জে ২৬ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে বাঙ্গালী হিন্দুদের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পুজা। ঐদিন দেবী দূর্গার বোধন অধিবাস ও ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমী পূজা শেষে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দেবী বিষর্জনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে। জকিগঞ্জে ইতিমধ্যে শারদীয় দূর্গোৎসব যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালনের লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মের নেতৃবৃন্দ বৈঠক আগামী বৃহস্পতিবার করবেন। সিলেটের সবক’টি উপজেলার মধ্যে জকিগঞ্জে পূজা মন্ডপের সংখ্যা বেশি। এবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৯১টি মন্ডপে সর্বজনীনভাবে প্রতিমা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছর জকিগঞ্জে ৯৬টি মন্ডপে শারদীয় দূর্গোৎসব পালিত হলে এবার ৯৩টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর কাজ এখন রয়েছে শেষ রয়েছে। সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে পূজা উদ্যাপনের লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সরকারি বরাদ্ধ দেয়া হয়নি। শারদীয় দূর্গোৎসবে আইন-শৃংখলা রক্ষার জন্য পূজা মন্ডপগুলোর জন্য নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা। পুলিশের পাশাপাশি আনসারও দেয়া হবে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি সঞ্জয় চন্দ্র নাথ ও সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় বিশ্বাস শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন- প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দূর্গোৎসব পালনে পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান হাওলাদার জানান- শালীনতার মধ্য দিয়ে শাস্ত্র মতে পূজা উদযাপন, সকল মন্দিরে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক ও বেজ ধারণ, রাতে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ/জেনারেটরের ব্যবস্থা ও ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কাস্টম ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন শেষ করা হবে।

     এ জাতীয় আরো খবর