,

কর্দমাক্ত রাস্তার কারণে কষ্টে আছে জকিগঞ্জের ছয়টি গ্রামের মানুষ

জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের হাজীচক-রাতাছড়া সড়কটির দৈর্ঘ প্রায় আড়াই কি.মি.। সিলেট-জকিগঞ্জ প্রধান সড়কের সাথে যুক্ত কালীগঞ্জ শায়লা স্মৃতি হাসপাতালের পূর্ব-উত্তর দিকে প্রবেশ করেছে রাস্তটি। রাস্তাটি অনেক পুরনো হলেও ইট সলিং বা পাকা না করার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। একটু বেশী বৃষ্টি হলে রাস্তাটি ডুবে যায়। বিশেষ করে রাতাছড়া এলাকার অবস্থা খুবই নাজুক । প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে হাজারীচক, উত্তর কসকনকপুর, ব্রাম্মণগ্রাম, দুধেরচক, হরাইত্রিলোচন ও মাতারগ্রামসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন যাতায়াত করেন। এই রাস্তা দিয়ে কালীগঞ্জ বাজারের উল্লিখিত গ্রামগুলির ক্রেতা-বিক্রেতা, ইছামতি ডিগ্রি কলেজ, ইছামতি উচ্চ বিদ্যালয়, ইছামতি কামিল মাদ্রাসা, কলাকুটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাম্মণগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইছামতি (ক) সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসা-যাওয়া করেন।
রাস্তার অবস্থা সম্পর্কে হাজারীচক গ্রামের বাসিন্দা ফুলতলী মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল ওয়াহাব বলেন, আমাদেও কষ্টের কথা বারবার আমরা ইউনিয়ন পরিষদেরমেম্বার,চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি বর্তমান এমপি সবাই জানেন। মৌখিক ও লিখিতভাবে তাদেরকে জানিয়েছি। সবাই শুধু আশ্বাস দেন কেউ কাজ করেন না। কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ আহমদ বলেন, নির্বাচন আইলে নেতারা আমরার কান্দাত আইন এরবাদে তাইন তানরে আর পাওয়া যায় না। আমরা কষ্ট দেখার কেউ নাই। মানিকপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মতিন বলেন, শুকনার সময় ধুলা আর বৃষ্টির সময় কাঁদা নিয়ে আমরা যাতায়াত করি। বছরের বেশিরভাগ সময়ই রাস্তা কর্দমাক্ত থাকে । জুতা হাতে নিয়ে পথ চলতে হয়। রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় এমপি সেলিম উদ্দিন। গত ১৯ আগস্ট এলাকার লোকজন সিলেট গিয়ে এমপি সেলিম উদ্দিনের সাথে দেখা করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন শিগগিরই রাস্তাটির কাজ করা হবে।

     এ জাতীয় আরো খবর