,

কাজের স্বীকৃতি পেলেন জকিগঞ্জ থানার এসআই ইমরোজ তারেক

স্টাফ রাইটার::
২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট জকিগঞ্জ থানায় এসআই হিসেবে যোগদান করেন সৈয়দ ইমরোজ তারেক। যোগদানের পর স্থানীয় জনতা ও সহকর্মীদের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময়ে ১৯ জন ডাকাতকে আটক করেন। এর মধ্যে অস্ত্রগুলিসহ গ্রেপ্তার করেন রিয়াজ নামে এক ডাকাতকে। চলতি বছরের জানুয়ারীতে কলেজ ছাত্রীর উপর আক্রমনকারী আলোচিত বাহার উদ্দিনকে মির্জারচক হাওর থেকে গ্রেপ্তার করেন। জুন মাসে জৈন্তাপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন আইসিটি মামলার বহুল আলোচিত রাকেশ রায়কে। লাকী হোটেলের কামাল আহমদ হত্যা মামলার আসামী জাকির হোসেন ও কলেজ ছাত্র সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামী এনাম উদ্দিনকে গ্রেপ্তারেও ইমরোজ তারেক ভ’মিকা পালন করেছেন। কমিউনিটি পুলিশসহ উপজেলার সর্বসাধারনের সাথে পুলিশের সেতুবন্ধন তৈরীতে সচেষ্ট রয়েছেন তিনি। এরই স্বীকৃতি স্বরুপ ২৮ অক্টোবর কমিউনিটি পুলিশ দিবসে সিলেট জেলায় একমাত্র পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে আইজিপি কর্তৃক সনদ ও ক্রেস্ট লাভ করেন। সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড.মোছাম্মদ নাজনারা খানুম, পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান ও জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদের হাত থেকে তিনি সম্মাননা গ্রহণ করেন। সৈয়দ ইমরোজ তারেকের জন্ম মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার মহাসহশ্র গ্রামে। তার বাবা মরহুম সৈয়দ বদরুল হোসেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান সহকারী ছিলেন। মা জেসমিন আক্তার রাজনগর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে ২০১৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন। তার স্ত্রী ফেরদৌসি শাহনাজ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রশিক্ষণ শাখা ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। সিলেটের এমসি কলেজ থেকে ২০০৩ সালে বাংলা বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স এবং ২০০৭ সালে ঢাকার মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজ থেকে বিপিএড ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৮ সালে এসআই পদে চাকরীতে যোগদান করেন। সিলেট কোতওয়ালী থানায় শিক্ষানবীশকাল শেষ করে ঢাকায় সিআইডিতে কিছু দিন কাজ করেন ইমরোজ তারেক। এরপর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীন দক্ষিণ সুরমা ও বন্দরবাজার ফাঁড়ি ইনচাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জকিগঞ্জে যোগদানের আগে তিনি চট্রগ্রামের সাতকানিয়া থানায় এসআই হিসেবে কাজ করেন। কাজের স্বীকৃতি পেয়ে খুশি তারেক ইমরোজ বলেন, এতে নতুন করে কাজের প্রেরণা পাব। স্বামী-স্ত্রী দুইজনই পুলিশে চাকরি করার কারণে তাদের প্রিয় সন্তান সৈয়দা জারিন তাসনিম(৬) ও সৈয়দা ফাইরুজ তাহসিন(৪)কে সময় দিতে না পারলেও মানুষের জন্য কাজ করার আনন্দ তারা উপভোগ করেন বলে জানান সৈয়দ তারেক।

     এ জাতীয় আরো খবর