,

কেছরী বিল উপ প্রকল্পের ত্রিপক্ষীয় বাস্তবায়ন চুক্তি মঙ্গলবার

জকিগঞ্জ ::
ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় কেছরী বিল উপ প্রকল্পের ত্রিপক্ষীয় বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করা হবে ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার। সকাল ১০টায় জকিগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এলজিইডি সিলেট, জকিগঞ্জ পৌরসভা-জকিগঞ্জ ইউনিয়ন-খলাছড়া ইউনিয়ন ও কেছরী বিল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হবে। কেছরী বিল সমিতির সভাপতি মুসলেহ উদ্দিন সুহেল এ তথ্য জানিয়ে বলেন, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন উপজেলা চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি থাকবেন পৌর মেয়র মো.খলিল উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান কবির আহমদ ও খলিলুর রহমান।
প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডি সিলেট জকিগঞ্জে কেছরী উপ-সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০০৭ সালে এ প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। কৃষি ও মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে দরিদ্রতা হ্রাস এ প্রকল্পের লক্ষ্য। এ প্রকল্পের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪শ ৩৫ টাকা ইতিমধ্যে ব্যাংকে এফডিআর করা হয়েছে। বিঘা প্রতি জমির মালিকদের ১৩০ টাকা করে এবং ভূমিহীনদের ২০০ টাকার শেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে এ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মুসলেহ উদ্দিন সুহেল জানান- এ প্রকল্পে জকিগঞ্জ পৌরসভা, জকিগঞ্জ ইউনিয়ন ও খলাছড়া ইউনিয়নের ২২ টি গ্রামের আলমনগর, বিলেরবন্দ, হোসনাবাদ, মধুদত্ত, গন্ধদত্ত ও সদরপুর মৌজার ৪৫০ হেক্টর জমি চাষের আওতায় আসবে এবং পাঁচ সহ¯্রাধিক মানুষ উপকৃত হবে। পিপিসি পাইপের মাধ্যমে মাটির নীচ দিয়ে কুশিয়ারা নদীর পানি কাজে লাগিয়ে অনাবাদী জমি আবাদ করা হবে। এ জন্য খনন করা হবে তোকমা খালের প্রায় সোয়া দুই কি.মি. পর্যন্ত। দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পেয়েছেন সুনামগঞ্জের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে এবং ২০২১ সালে কাজ শেষ হবে। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৌসুমী কর্মসংস্থান হবে। সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, সমিতির সদস্য সংখ্যা ৫১২জন এবং মহিলা সদস্য ১৭২ জন। স্থানীয়দের অংশগ্রহণে প্রকল্পটি যথাযথ বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি ও কৃষকদের জীবনমানে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।

 

     এ জাতীয় আরো খবর