,

কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক ওসি কারাগারে

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলতাফ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

জামিলা আকতার নামে এক নারীর দুদকে করা এক মামলায় তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলেন জানান, কক্সবাজার দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুর রহিম।

মঙ্গলবার (১৯ জুন) বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত ১-এর বিচারক সফিকুল আলম এ আদেশ দেন।

ওসি আলতাফ হোসেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানায় কর্মরত থাকার আগে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থানায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকাতে কর্মরত আছেন।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের সিন্নিহাইয়া গ্রামের ইস্কান্দার মির্জার স্ত্রী জমিলা আক্তার বাদী হয়ে কুতুবদিয়া থানার তৎকালীন ওসি আলতাফ হোসেন ও উপপরিদর্শক এবিএম কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার স্পেশাল জজ আদালতে ফৌজদারি দরখাস্ত দায়ের করেন।

পরে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক অজয় সাহাকে নির্দেশ দেন।

অজয় সাহা মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করেন। পরে আদালত দরখাস্তটি স্পেশাল মামলা নং ১৫/১৭ হিসেবে রুজু করেন। এরপর ওই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

দুদক সূত্র আরও জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন ওসি আলতাফ হোসেন। পরে আদালতের বিচারক মীর শফিকুল আলম জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুদকের পক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন দুদক নিয়োজিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহিম। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট নুরুল মোস্তফা মানিক।

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম জানান, আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামি আলতাফ হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। এ আদেশে দুদক সন্তুষ্ট। এ মামলায় অপর আসামি এবিএম কামাল উদ্দিন পলাতক রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার শিল্প পুলিশে উপপরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী ২৬ জুন পরবর্তী মূল শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

     এ জাতীয় আরো খবর