,

গরমে ওষ্ঠাগত প্রাণ

  • প্রচন্ড গরমের কারণে সারাদেশের মতো জকিগঞ্জসহ সিলেটের জনজীবন অস্বস্তিতে পড়েছে। গত তিনদিন ধরে গরমে হাঁসফাঁস করতে দেখা গেছে নগরবাসীকে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট চরমে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকায় তাপমাত্রার চেয়ে একটু বেশিই গরম অনুভূত হচ্ছে। 
    এদিকে সিলেটের আবহাওয়া অফিস আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। তবে আদ্রতা কম থাকার কারণে এই বৃষ্টি স্বস্তিদায়ক হবে না।  সোমবার (৩ আগস্ট) সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিলেট আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাইদ আহমেদ চৌধুরী সিলেটভিউকে জানান, বাতাসে আদ্রতা বেশি থাকার কারণে লোকজন বেশি অস্বস্তিতে পড়েছেন।
    তিনি আরো জানান, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও আগামী ৬ আগস্ট থেকে টানা কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এসব বৃষ্টিপাত স্বস্তিদায়ক হবে না। 
    এদিকে, তীব্র গরমের কারণে হাসফাস করা মানুষ কাহিল হয়ে পড়ছেন। বাসাবাড়ি থেকে অফিস বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সবজায়গাতেই এক অবস্থা। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাসা-বাড়ি থেকে বের হননি। তবে ঘরে থেকেও স্বস্তিতে ছিলেন না লোকজন।
    গরমের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাতাসের আর্দ্রতার কারণে প্রচন্ড ঘাম তৈরি হচ্ছে শরীরে। শুধু শিশু নয়, সবাইকে বেশি করে পানি খেতে হবে। বিশেষ করে লেবুর শরবত, ডাবের পানি, স্যালাইন খেতে হবে। তাহলে শরীরে পানিশূন্যতা হলেও সে জায়গায়টা পূরণ হবে। এতে করে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম। থাকবে।গরমে চাহিদা বাড়ছে কোমল পানীয়ের। খেটে খাওয়া মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। মানুষ নয় অনান্য প্রাণীর এখন হাপিত্যেস অবস্থা।

     এ জাতীয় আরো খবর