,

ছবড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একি হাল ?

জকিগঞ্জ(সিলেট)::
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার জকিগঞ্জ ইউনিয়নের ছবড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি ধ্বসে পড়েছে ৬ জুলাই শনিবার। পর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ না থাকায় এর পর থেকে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসছে না। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন অনেকে। রুবেল আহমদ শিবলু কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তার স্ট্যাটাসে লিখেন ‘জকিগঞ্জের ৫৩ নং ছবড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবণটির দেয়াল অবশেষে রাতের অন্ধকারেই ধসে পড়ে গেছে। বর্তমানে একটি কক্ষেই চলছে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পাঠদান।অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। জকিগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব দিকের গেইটের দক্ষিণ পাশে মেইন সড়কের কাছে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়’। আফতাব আহমদ লিখেন
‘ছবিটা দেখে কেহ কল্পনা করতে পারবেনা এটা উপজেলা প্রসাশন থেকে এক কিলোমিটার দুরে অবস্তিত একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যাহার অবস্তা অত্যান্ত জীর্ণ, যেকোন সময়ে বড় অগঠন ঘটে ছাত্রদের মৃত্্যু পর্যন্ত হতে পারে। ভয়ে ছাত্ররা ক্লাসে আসেনা । শিক্ষক আসেন আর যান কোন ক্ল্াস হয়না দেখার মত কোন কর্তৃপক্ষ নাই কি’ ? ওমর ফারুক লিখেছেন ‘শিক্ষার্থীদের উপরে পড়লে দায় কে নিতো ?
জকিগঞ্জের ৫৩ নং ছবড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবণটির দেয়াল অবশেষে রাতের অন্ধকারেই ধসে পড়ে গেছে। বর্তমানে একটি কক্ষেই চলছে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পাঠদান। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে’।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা জানান, ২৩২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে বিদ্যালয়টিতে। ৬ জুলাই রাতে হঠাৎ ভেঙ্গে পড়ার আগ পর্যন্ত ঐ ঝুঁিকপূর্ণ ভবনেই পাঠদান করা হতো। পুরাতন জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙ্গে যাওয়ায় অফিসকক্ষসহ দুটি কক্ষে সব শিক্ষার্থী একসাথে বসিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে।এতে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হয়। বিদ্যালয় ধ্বসে পড়ার বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক জানানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজন কুমার সিংহ বলেন, ১৪ জুলাই বিদ্যালয়টি পরিদর্শণ করেছি। আপাতত টিনশেডের দুই কক্ষের একটি ঘর তৈরী করা হবে শিগগিরই। এ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন তৈরীর বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

     এ জাতীয় আরো খবর