,

জকিগঞ্জে কুরবানীর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২৬ হাজার পশু

আল মামুন::
কুরবানীর জন্য অনুমান ১৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে জকিগঞ্জে। প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ২৬ হাজারের বেশি পশু। স্থানীয় পশু দ্বারাই জকিগঞ্জে কুরবানীর প্রয়োজনীয় পশুর চাহিদা মিটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন জকিগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবুল কাহির। তিনি জানান ২০১৬ সালে কুরবানীতে জকিগঞ্জে যাড়, গাভী, ছাগল সব মিলিয়ে ১০ হাজার ৬৯৫টি পশু জবাই করা হয়েছিল। এ বছর অনুমান ১৫ হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে। জকিগঞ্জে কুরবানীর উপযোগী পশু রয়েছে ২৬,৫৩৮টি। এর মধ্যে গরু ২১,৯৮৩টি, মহিষ ১১২৭টি,ছাগল ৩১১৯টি এবং ভেড়া ৩০৯টি। উপজেলার ২৭৮টি গ্রাম রয়েছে। প্রতিটি গ্রামে গড়ে ৯৫টি গরু কুরবানীর জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ফলে এবার খুব একটা আমদানি নির্ভর থাকতে হচ্ছে হচ্ছে না জকিগঞ্জেরর পশু ব্যবসায়ীদের।
কুরবানীদাতাদের হতাশ হওয়ার কারণ নেই জানিয়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস বলছে, স্থানীয় পশু তো রয়েছেই। তাছাড়া প্রতি বছরই যথেষ্ট সংখ্যক বাইরের পশু আসে। এবারও আসবে। কৃত্রিম প্রজননের কারণে আগের তুলনায় এখন বেশি গরু উৎপাদন হচ্ছে বলেও জানান প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা।

তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মোতাবেক উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস মাঠ পর্যায়ে এই জরিপ চালিয়েছে। জনবল কম থাকার কারণে শতভাগ স্বচ্ছ না হলেও তাদের জরিপ মতে পশু সংকটের কোনো কারণ নেই। জকিগঞ্জে নির্মানাধীন প্রাণি সম্পদ কোয়ারেন্টাইন অফিসটি চালু হলে জকিগঞ্জ কাস্টমসঘাট দিয়ে আগামীতে বৈধ গরু আসবে বলেও জানান তিনি। জকিগঞ্জে রেজিস্টার্ড ও রেজিস্টিবিহীন গরুর খামার রয়েছে মাত্র ১৫টি। এসব খামার মূলত দুগ্ধ খামার। যেখানে ৩টি থেকে ৮টি পর্যন্ত গরু রয়েছে বর্তমানে। উপজেলার সবচেয়ে বড় খামারের নাম অরোরা সমন্বিত খামার। এখানে ৪০টি গরু রয়েছে। মানিকপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম এগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রি লি: এর পরিচালক আবু জাফর রায়হান বলেন, স্থানীয়ভাবে যারা খরচ করে সারা বছর কষ্ট করে গরু লালন পালন করেছেন কুরবানীর সময় বেশি দাম পাবার আশায়, ভারত থেকে অবাধে গরু আসার কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

     এ জাতীয় আরো খবর