,

জকিগঞ্জে গরু মহিষের বাতা রোগের প্রাদুর্ভাব:৩ মহিষ শাবকের মৃত্যু

জকিগঞ্জ ::
জকিগঞ্জে গরু মহিষের বাতা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গরু মহিষের পা পচা ও মুখে ঘা রোগ দেখা দেয়ায় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
খলাছড়া গ্রামের জয়নাল আহমদের ২টি মহিষ শাবক বাতা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। প্রায় ৭০ হাজার টাকা দামের দুটি মহিষ শাবক মারা যাওয়ার পর তিনি তার অন্য গরু মহিষ আক্রান্ত হতে পারে এমন ভয়ে রয়েছেন। একই গ্রামের মাহতাব আহমদের একটি মহিষ শাবকও মারা গেছে এই রোগে। কেছরী গ্রামের আব্দুর রবের একটি গরু বাতা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। জকিগঞ্জের মধুদত্ত গ্রামের আব্দুল গণি জানান, তার ২টি গাভী ও ৩টি বাছুর ১৫দিন ধরে অসুস্থ। গরুর পায়ের খোড়া মাঝখানে পচে গেছে মুখ ও জিহবায়ও ঘা। না খেতে পেরে গুরুগুলি দুর্বল হয়ে গেছে। আব্দুল গণির প্রবাস ফেরত পুত্র আব্দুল হান্নান রুবেল বলেন, স্থানীয় ভাষায় গরুর এ রোগকে ‘বাত’ বলে। রুবেল জানান, জকিগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করলে সেখানে কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায় না। ‘ফটাস’পাউডার ছাড়া অন্য কোন ঔষধ পাওয়া যায় না প্রাণী সম্পদ অফিসে। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা. আব্দুল কাহির বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় শীতকালে এ রোগ দেখা যায় সাধারণত। এটি একটি ছোঁয়াছে রোগ। যখনই কোন গরু মহিষ বাতা রোগে আক্রান্ত হয় তখন সুস্থ গরুকে আলাদা করে ফেলতে হবে। আক্রান্ত গরুকে চিকিৎসকের পরামর্শে ঔষধ খাওয়াতে হবে। তিনি জানান, ভেটেনারী সার্জনের পদসহ জকিগঞ্জ প্রাণী সম্পদ অফিসে ৫টি পদ শূন্য রয়েছে। তাকেও সম্প্রতি সুনামগঞ্জের দোয়ারায় বদলী করা হয়েছে। তবুও কেউ সরাসরি বা মোবাইল ফোনে ০১৭১২১০৪২৫৪ নম্বরে কেউ যোগাযোগ করলে তিনি যথাযথ পরামর্শ দিতে পারবেন।

     এ জাতীয় আরো খবর