,

তিনদিকে ভারত বেষ্টিত জকিগঞ্জের তিন লক্ষ মানুষ জিম্মি পরিবহন ধর্মঘটে

স্টাফ রাইটার::

জকিগঞ্জ-সিলেট প্রধান সড়ক সংস্কার, পরিবহন শ্রমিকদের পুলিশি হয়রানী ও ব্যাটারী চালিত অটোবাইক (টমটম), ট্রলি বন্ধের দাবীতে সোমবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। এ ধর্মঘটের কারণে তিন দিকে ভারত বেষ্টিত জকিগঞ্জের তিন লক্ষ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছেন। সিলেটের অন্যান্য উপজেলায় এ ধর্মঘট নেই। শুধু জকিগঞ্জে চলছে ধর্মঘট। বিয়ানীবাজার উপজেলায় ধর্মঘট না থাকায় সিলেট শহরে অবস্থানকারী জকিগঞ্জের বিপুল সংখ্যক যাত্রী চুরখাই ও শেওলার মুখে এসে আটকা পড়েন। কেউ কেউ সঙ্গে থাকা শিশু ও নারীদের নিয়ে পড়েন চরম ভোগান্তিতে। কেউ আবার মাইলের পর মাইল হাঁটেন পায়ে। কেউ ভাগ্যক্রমে রিক্সা পেয়ে গেলেও গুনতে হয় অনেক টাকা। শেওলার মুখ থেকে জকিগঞ্জে আসতে রিক্সা ভাড়া দিতে হয়েছে ৩-৪শ টাকা করে।
চুরখাইতে সন্তানাদি নিয়ে আটকাপড়া মানিকপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য কবির আহমদ বলেন, স্বাধীন দেশের মানুষ হয়েও রোহিঙ্গাদের মতো জিম্মি হয়ে পড়েছি। কি কারণে কার স্বার্থে এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে তার রহস্য জানতে চায় জকিগঞ্জবাসী।
কবে নাগাদ এ ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে তা কেউ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। সিলেট জেলা পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক সোমবার সন্ধ্যায় জানান, দাবী সমূহ পূরণে কোনো পক্ষ থেকে আশ্বাস না পাবার কারণে ধর্মঘট চলবে।
পরিবহন ধর্মঘটের বিষয়ে এখনও সমাধান হয়নি। যদিও সীমাহীন কষ্ট আর দূর্ভোগে রয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শহীদুল হক জানান বিষয়টি নিয়ে সোমাবার উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় আলোচনা হয়েছে। জকিগঞ্জ সিলেট সড়কের টেন্ডার হয়েছে। পুলিশী হয়রানী হচ্ছে না। তব্ওু জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, তিনি বিষয়টি দেখবেন। আর অটোবাইক(টমটম) চলাচলের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়া যায়নি। তবে বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় জনস্বার্থে গ্রামাঞ্চলে টমটম চালু রাখার দাবী জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।

     এ জাতীয় আরো খবর