,

দিনভর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে কনকনে শীত জকিগঞ্জের কৃষকদের মনে শঙ্কা

জকিগঞ্জ৯.১২.২০১৭::
হেমন্তের বিদায়, শীতের আবির্ভাব। দিনের দৈর্ঘ্য হ্রাস। নিম্নচাপে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, যা বইয়ে দিচ্ছে শীতল হাওয়া। শীতের আগমনী বার্তা নয় পুরোপুরি শীত অনুভুত হচ্ছে জকিগঞ্জের সর্বত্র। প্রকৃতির খেয়ালে অগ্রহায়ণের শেষ সময়ে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। এতে জনজীবনে এসেছে স্থবিরতা। রাস্তাঘাট ফাকা নেই স্বাভাবিক যানজট। স্কুল কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিত অন্যদিনের চেয়ে অনেকাংশ কম। মাঠে রয়েছে পাকা ধান কৃষকদের মনে ধান ঠিক মতো উঠাতে না পারার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ সাইদ আহমদ চৌধুরী বলেন, আজ শনিবার সকালে সিলেটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী সোমবার পর্যন্ত নিম্নচাপের প্রভাব থাকবে সিলেট বিভাগে।

অথচ ৮ডিসেম্বর শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে বোঝায় যাচ্ছে, কুয়াশা পড়া শুরু না হলেও তাপমাত্রা হ্রাসের সঙ্গে বৃষ্টি ও শীতল হাওয়ায় একটা শীত শীত আমেজ ইতিমধ্যে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন প্রান্তে বিরাজ করছে।

তবে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান যতই কমবে শীত শীত ভাব তত বেশি অনুভূত হবে।
অনেকের হেমন্তের শুরুতে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি-এক কথায় শীতের আগমনী বার্তা। তবে আরেক শ্রেণির মানুষ এই শীত শীত আমেজকে সাময়িক বলে মনে করছেন। তাদের দাবি, বৃষ্টির কারণে সারাদেশে তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। যে কারণে কিছুটা শীত শীত অনুভূত হচ্ছে। খলাছড়া গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ নোমান উদ্দিন জানান, ধান কাটা মাত্র শুরু হয়েছে। এই মুহর্তে আকষ্মিক বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা রীতিমত শঙ্কিত। আমন ধান ঘরে তুলার বিষয়টি হুমকির মুখে পড়েছে। তাছাড়া বুরো ধানের বীজতলা ও রবিশষ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বৃষ্টির কারণে।

     এ জাতীয় আরো খবর