,

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া জকিগঞ্জের জুবায়ের আপনার একটু সহানুভূতি পাবে কী ?

একটি স্বপ্ন, একটি সম্ভাবনার নাম জুবায়ের। দারিদ্রের বিরুদ্ধে যে লড়াই করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছে। শুধু তাই নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধে ১৯ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে মেধা তালিকায় ১৩তম স্থান অধিকার করে জাতীয় কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহে ‘আইন ’ বিভাগে অনার্সে ভর্তি হয় জকিগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের খলাছড়া(বসনপুর) গ্রামের এতিম অসহায় শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমদ। মুসলিম হ্যান্ডস পরিচালিত স্কুল অব এক্সিলেন্স, জকিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সিলেট সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমদ ‘কিডনী রোগ ও খাদ্যনালী’সমস্যায় মারাতœক অসুস্থ হয়ে ঢাকায় গিয়েছিল চিকিৎসাধীন করাতে প্রয়োজনীয় টাকা না থাকায় অসহায় হয়ে বাড়িতে ফিরে এসেছে। বানরের তৈলাক্ত বাঁশে উঠার মতো সংগ্রাম করে লেখাপড়া চালিয়ে আসছে জুবায়ের।কয়েকজন হৃদয়বান মানুষের আন্তরিক সহযোগিতায় তার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি, বই কেনা ও ফরম ফিলাপ হয়েছে। সে জানায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাবার সময় তার চলাচলের একমাত্র বাহন প্রিয় বাইসাইকেলটি বিক্রি করেছে। শুধু তাই নয় সহায় সম্বলহীন জবায়েরের মায়ের একটি মাত্র ‘গরু ’ ছিল সেটিও বিক্রি করেছেন ছেলের লেখাপড়ার কারণে।একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া জুবায়ের ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভর্তি হয়েছে। সেই অদম্য মেধাবী জুবায়ের এখন তার চিকিৎসা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই শঙ্কিত। যে স্বপ্ন দেখে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে প্রিয় জকিগঞ্জকে এগিয়ে নিবে।
তার চিকিৎসার লক্ষ্যে জকিগঞ্জের কয়েকজন তরুণের উদ্যোগে ‘বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া জুবায়ের চিকিৎসা সহায়তা তহবিল’ গঠন করা হয়েছে। সংগঠক উবায়দুল হক চৌধুরী রাজাকে আহবায়ক, কবি হাবিবুল্লাহ মিছবাহ, সাংবাদিক আল মামুন, এনামুল হক মুন্না, প্রভাষক খালেদ মহিউদ্দিন আজাদ, এসএম শাহাদাত,মুনিম আহমদ প্রমুখকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন জুবায়েরের অপারেশনসহ পূর্ণ চিকিৎসার জন্য প্রায় প্রয়োজন এক লক্ষাধিক টাকার। অতি দরিদ্র পরিবারের এই পক্ষে এই টাকা যোগাড় করা অসম্ভব। টাকার অভাবে বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। কত টাকা আমরা কতভাবে খরচ করে থাকি তার হিসেব আমরা রাখি না হয়তো। সেই টাকার সামান্য একটি অংশ নিয়ে আসুন ‘গাবরে পদ্মফুল’ ফুটা জুবায়েরের পাশে দাঁড়াই। আপনার একটু সদয় দৃষ্টি আর সহৃদ সহানুভ’তিতে বেঁচে যাবে একটি প্রাণ, বেঁচে থাকবে একটি স্বপ্ন। ‘মানুষ মানুষের জন্য’। ‘জীবন জীবনের জন্য’। তাই ঝড়ে পরার আগেই ফুটন্ত এই ফুলকে বাঁচিয়ে রাখতে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেই। একটু সহানুভুতির জন্য যোগাযোগ করুন উবায়দুল হক চৌধুরী রাজা-০১৭১৮৩৮৮৩১৩। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

     এ জাতীয় আরো খবর