,

সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম ভিসি জকিগঞ্জের মোর্শেদ চৌধুরী : অভিনন্দন

জকিগঞ্জ ::
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জকিগঞ্জের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী। তিনি বর্তমানে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ আদেশে স্বাক্ষর করলে ১৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ডা. মোর্শেদ চৌধুরীকে ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ২০ নভেম্বর ১৯৬০ সালে জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জকিগঞ্জ হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং নটরডেম কলেজে থেকে এইচএসসি পাশ করেন। এরপর সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি ১৬ তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন।
তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের গাইনী এন্ড অবস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। ২০১৪ সাল হতে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টী অব মেডিসিন এর ডীন পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এছাড়াও অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল এর সদস্য এবং অবস্টেট্রিকাল এন্ড গাইনোকোলজিকাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর সিলেট বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ভিসি নির্বাচিত হওয়ায় ডা. মোর্শেদ চৌধুরীকে জকিগঞ্জ ডক্টরস এসাসিয়েশনের সভাপতি ডা. খালেদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, পৌর মেয়র খলিল উদ্দিন, উপজেলা কৃষললীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ প্রমুখ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, সেবার মান, সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট বিধান করে ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০১৮ পাস করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এখতিয়ার, ক্ষমতা, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাদান পদ্ধতি, মঞ্জুরি কমিশনের পরিদর্শন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরসহ জনবল কাঠামো ও নিয়োগ, ভাইস-চ্যান্সেলরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলরের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের ক্ষমতা ও দায়িত্বসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধান করা হয়েছে।

বিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল, অনুষদ, পাঠক্রম কমিটি, বোর্ড অব অ্যাডভান্স স্টাডিস, অর্থ কমিটি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি, নির্বাচনী বোর্ড, নৈতিকতা কমিটি, শৃঙ্খলা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় সংযুক্ত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ সংবিধিতে উল্লেখিত অন্যান্য কমিটি বা বোর্ডকে কর্তৃপক্ষ হিসেবে পরিগণিত করার বিধান করা হয়।

বিলে সিন্ডিকেট গঠন, এর সদস্য সংখ্যা, এর কার্যক্রম, ক্ষমতা ও দায়িত্ব, একাডেমিক কাউন্সিল গঠন ও এর সদস্য সংখ্যা এবং কার্যক্রম, ক্ষমতা ও দায়িত্ব, অনুষদ, বিভাগ, পাঠক্রম কমিটি গঠন, অর্থকমিটি গঠন ও এর সদস্য এবং ক্ষমতা ও দায়িত্ব, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি গঠন, সদস্য সংখ্যা, ক্ষমতা ও দায়িত্ব, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, সদস্য সংখ্যা, কার্যক্রম ক্ষমতা ও দায়িত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষকদের দায়িত্ব, পাঠক্রম, পরীক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল, বার্ষিক প্রতিবেদন, হিসাব ও নিরীক্ষা, সংবিধি-বিধি প্রণয়নের ক্ষমতাসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়েছে।

     এ জাতীয় আরো খবর