,

জকিগঞ্জ পৌরসভার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ভোটের হাওয়া

প্রার্থীরা শুরু করেছেন বাড়ি বাড়ি যাওয়া
আল মামুন, জকিগঞ্জ::
জকিগঞ্জ পৌরসভার ৫ম নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরে। করানো ভাইরাসের ভীতিকর পরিস্থিতি উত্তরণের পরে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষিত হওয়ায় প্রার্থীরাও নড়েচড়ে উঠেছেন।সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের পাশাপাশি কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীরাও নেমে পরেছেন ভোটের মাঠে। ৯টি ওয়ার্ডেই র্ব্তমান কাউন্সিলররা থাকছেন ভোটের লড়াইয়ে। তাদের সাথে লড়বেন নবীন প্রবীণ প্রার্থীরা। নির্বাচনের আরো প্রায় তিন মাস বাকী থাকলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে শুরু করেছেন। মনোযোগ দিচ্ছেন নিজ নিজ এলাকার মানুষের সুখ দু:খের প্রতি। যোগ দিচ্ছেন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানাদিতে। চায়ের দোকান, পাড়া মহল্লায় শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। ৯টি ওয়ার্ডে ৪৫জনেরও বেশি প্রার্থীর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে শুনা যাচ্ছে।
১নং ওয়ার্ড:
খলাছড়া, শাকরপুর, বসনপুর, চিরপাল, নরসিংপু ও বারোঘরি নিয়ে গঠিত ১ নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন বর্তমান কাউন্সিলর আব্দুল জলিল,ব্যবসায়ী মুনিম আহমদ, মানবাধিকার কর্মী আবুল কালাম আজাদ, প্রবাসী মোস্তাক আহমদ। এখানে মোট ভোটার প্রায় ১৩৭৯ ।
২নং ওয়ার্ড: আলমনগর ও হাইদ্রাবন্দ নিয়ে গঠিত ২নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন র্ব্তমান কাউন্সিলর যুবলীগ নেতা মাসুদ আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুস শহীদ, বিএনপি নেতা আব্দুস ছালাম, আলমনগরের আলম আহমদ, জকিগঞ্জ টিভির ডিরেক্টর ছাত্রনেতা জামাল আহমদ, ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা আহমদ, রিপন আহমদ প্রমুখ। এ ওয়ার্ডে ভোটার প্রায় ১১৫৯।
৩নং ওয়ার্ড: জকিগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্স, পৌরসভা কার্যালয়সহ গুরুত্বপ্র্ন্ ূঅফিস রয়েছে এখানে। পীরেরচক,গোপীরচক ও পশ্চিম আনন্দপুর নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডে র্ব্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেতা রিপন আহমদ, সাবেক কাউন্সিলর মঈনুল হক রাজু,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি, রুপসী বাংলা সমবায় সমিতির এমডি নুরুল ইসলাম, সাবেক প্রয়াত মেয়র আনোয়ার হোসেন সুনা উল্লাহর ভাতিজা আবুল কালাম আজাদ, গোপীরচকের নদীয়া রায় সম্ভাব্য। ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৭৮৪ ভোট রয়েছে এখানে।
৪নং ওয়ার্ড: গন্ধদত্ত ও নোয়াগ্রাম নিয়ে এ ওয়ার্ড গঠিত ।সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন পৌরসভা যুবলীগের আহবায়ক র্ব্তমান কাউন্সিলর শাহাবুদ্দিন শাকিল, সাবেক কাউন্সিলর মকদ্দস আলী মন্টু, ওয়াড্র্ আওয়ামীলীগ সভাপতি মুহিবুর রহমান, ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান লিলু মিয়া, দুলাল আহমদ প্রমুখ। ভোটার প্রায় ১৭৪৭।
৫নং ওয়ার্ড: মধুদত্ত,সদরপুর, কান্দিরপাড়, খালপাড় ও আংশিক আনন্দপুর নিয়ে এ ওয়ার্ড গঠিত।র্ব্তমান কাউন্সিলর কামরুজ্জামান কমরু, সাবেক কাউন্সিলর সাজ্জাদুর রহমানের ভাই ছমির উদ্দিন, এহিয়া আহমদ। ১৫৭৭
৬নং ওয়ার্ড: শুধু কেছরী গ্রাম নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডে র্ব্তমান কাউন্সিলর পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পডাদক দেলোয়ার হোসেন নজরুল, সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদ, পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেন পুতুল, আক্তারুজ্জামান রাজু প্রমুখ সম্ভাব্য প্রার্থী। ভোটার প্রায় ১২৬২।
৭নং ওয়ার্ড: ছয়লেন, পশ্চিম বিলেরবন্দ ও আংশিক পূর্ব বিলেরবন্দ নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন র্ব্তমান কাউন্সিলর আছদ্দর আলী, প্রবাসী হেলাল আহমদ, সাবেক প্রার্থী হেলাল আহমদের ছেলে জুমেল আহমদ,নাজু আহমদ, মাখন মিয়া । ভোটার প্রায় ৯৪৪।
৮নং ওয়ার্ড: পঙ্গবট ও পূর্ব বিলেরবন্দ নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডে র্ব্তমান কাউন্সিলর শামীম আহমদ ছাড়া এখনো প্রকাশ্যে কারো প্রার্থীতার কথা শুনা যাচ্ছে না। তবে সাবেক প্রার্থী সাংবাদিক এনামুল হক মুন্না, ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতা ফুজায়েল আহমদ, হেলাল আহমদ এবং সাবেক কাউন্সিলর বাবুল হোসেইনের পুত্র ছাত্রলীগ নেতা পারভেজ আহমদ প্রার্থী হতে পারেন। এ ওয়ার্ডে শেষ পর্যন্ত সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র বাবুল হোসেইনও প্রার্থী হতে পারেন বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন। এখানে ভোটার প্রায় ১০৪৬।
৯নং ওয়ার্ড: মাইজকান্দি ও পূর্ব মাইজকান্দি নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ডে র্ব্তমান কাউন্সিলর আতাউর রহমান আতাই, সাবেক কাউন্সিলর আমাল আহমদ, বিএনপি নেতা সালেহ আহমদ, ব্যবসায়ী হুসেন আহমদ হুসাই সম্ভাব্য প্রার্থী। ভোটার প্রায় ১৩৪৭ জন।
সংরক্ষিত ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে সানন্দা শুক্লা,সাবেক কাউন্সিলর জোসনা খানম, রানী বেগম। ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে জাহানারা বেগম, মনোয়ারা বেগম, রেহানা বেগম, রুশনা বেগম। ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ছালেহা বেগম ও রিনা বেগম সম্ভাব্য প্রার্থী।

     এ জাতীয় আরো খবর