,

জকিগঞ্জ পৌরসভার ২নংওর্য়াডের উপ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

জকিগঞ্জনিউজ ১৯.১১.২০১৭::
জকিগঞ্জ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুক আহমদ চৌধুরী ১২ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন পৌর মেয়র মো: খলিল উদ্দিন। তার মৃত্যুজনিত কারণে নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সিলরের শূন্য পদে উপ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।
২ নং ওয়ার্ডের উপ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমদ, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত মাহমুদুর রহমানের পুত্র রওশন আলম বাদল, ডা, সফিকুর রহমানের পুত্র বজলুর রহমান বাবুল,পৌর আওয়ামীলীগ নেতা এ এম জাকির হোসেন মুকুল, ব্যবসায়ী মোস্তফা আহমদ, জকিগঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক ইউনাইটেড বৈশাখী ক্লাবের সংগঠক এসএম শাহাদাত হোসেন দিদার, ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদ জকিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শংকু কান্তি শর্মা প্রমুখ প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে। গত নির্বাচনের প্রার্থী ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম জকিগঞ্জ নিউজকে জানান, তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না।
পৌরসভার হাইদ্রাবন্দ ও আলমনগর গ্রামনিয়ে ২নংওয়ার্ড গঠিত । বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ ও সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল মালেক ফারুকের ওয়ার্ড এটি। জকিগঞ্জ থানা, পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসা, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ভরণমডেল প্রাইমারী স্কুল, ডাক বাংলো, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ রয়েছে ২ নংওয়ার্ডে।এ ওর্য়াডে ভোটার সংখ্যা ১০৯৫। এর মাঝে হাইদ্রাবন্দে ৫০৭ এবং আলমনগরে ৫৮৮টি ভোট রয়েছে। এদের মাঝে বহিরাগত ভোটার রয়েছেন শ”খানেক। ভোট কেন্দ্রের নাম ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসা, আলমনগর। ২ নংওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল মালেক ফারুক ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবরের উপ নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় ১১ মাস এ ওয়ার্ডটি ছিল কাউন্সিলরবিহীন। মাসুক আহমদ চৌধুরীর মৃত্যুতে আবারো এ ওয়ার্ডটি কাউন্সিলর শুন্য হলো।
২০১১ সালের দ্বিতীয় পৌরসভা নির্বাচনে বজলুর রহমান বাবুল ফুটবল প্রতীক নিয়ে আব্দুল মালেক ফারুকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ পৌরসভার প্রথম নির্বাচনে আব্দুল মালেক ফারুক কমিশনার নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২নংওয়ার্ডে নানা সমস্যা বিদ্যমান রয়েছে। এর মাঝে কয়েকটি পাড়ায় লোকজন এখনো বিদ্যুৎসুবিধা থেকে বঞ্ছিত। এখনো অধিকাংশ রাস্তায় সড়ক বাতি নেই। নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থাও। শুকনো মৌসুমে দেখা দেয় মারাত্বক পানি সংকট। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় আটকা পড়েন ঠাকুরপাড়া ও আলমনগরের মানুষ। বন্ধ রাখতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ড্রেনেজব্যবস্থা নেই বল্লেই চলে। রাস্তা ঘাটেরঅবস্থা খুবই নাজুক। নির্বাচন সামনে আসলে এলাকাবাসী এসব সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে উঠেন কিন্তু তাদের সমস্যার সমাধান হয় কমই।

 

     এ জাতীয় আরো খবর